সোহাগ আরেফিন, জেলা প্রতিনিধি: ৭০ বছর বয়সে মানবেতর জীবন যাপন করছে সরমজান খাতুন নামের এক মহিলা। ইতপুর্বে সে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে জীবকা নির্বাহ করতো কিন্তু এখন বয়স বাড়ায় আর চলা ফেরা করতে পারেনা। তাই এক বেলা খেয়ে এক বেলা না খেয়ে কোন রকমে বেঁচে আছে এই পৃথিবীতে। কঙ্কালসার দেহ শুকনা বাশের লাঠির মত হাত পা দেখে মায়া হয় সকলের কিন্তু মায়া হয় না বর্তমান সমাজ পতিদের। সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, সরমজান খাতুন মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়নের বাওট গ্রামের মৃত আঃ জলিলের স্ত্রী।
সরমজানের সাথে কথা বললে সে কেঁদে কেঁদে জানায়, আমরা তো সমাজের আর্বজনা। আমরা এই পৃথিবী থেকে যেতে পারলেই দেশ সামাজ জনযাল মুক্ত হয় বাবা। আমাদের দেখার কেউ নেই। ২০ বছল হলো আমার ¯^ামী মারা গেছে। তার মৃত্যুর পর থেকেই আমার জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। মিথ্যা বলবো না বাবা ভোটের সময় আসলে অনেক লোক জন আসে একাদ খান শাড়ি টাড়ি দিয়ে যায় আর বলে আপনার ভাতা করে দেবো। ভোটের দিন ভ্যান ভাড়া করে নিয়ে যায়, জিলাপী আপেল কমলা কিনে দেয়। তার পর থেকে আর কাউকে দেখা যায় না। ভাত রান্না করতে করতে বলে আগুন ছুয়ে বলছি বাবা আমি কখন কোনদিন কোন সাহায্য পাইনি।
সরজমিনে আরো দেখা যায় অনেকে বিয়ের আগ থেকেই পায় বিধবা ভাতা আবার অনেকে প্রতিবন্ধী না হয়েই পায় প্রতিবন্ধী ভাতা, শুধু তাই নয় অনেকে অল্প বয়সেই পায় বয়স্ক ভাতা। কিন্তু সরমজান খাতুনের মত মহিলা পুর“ষ যারা সরকারী সাহায্য সহযোগীতা পাবার অধিকারী তারাই পাইনা সেই সুযোগ। সরকার দারিদ্র বিমোচনের জন্য অনেক পদপে গ্রহন করলেও অনেকাংশে সে পদপে ব্যার্থ বলে ধারনা করছে সরমজানের মত মহিলারা। প্রতিবন্ধী, বিধবা ও বয়স্ক ভাতার েেত্র র্নিদলীয় লোকজন কাজে লাগাতে হবে আর তা না হলে সবাই আপন কোলে তেল দেবে। এমনটি মনে করছে সমাজের সচেতন মহল। সরমজানসহ এদের মত অধিকার বঞ্চিত মানুষগুলো যেন তাদের প্রাপ্য অধিকার পাই সংশিষ্ট কর্তৃপরে কাছে দাবী জানিয়েছে অধিকার বঞ্চিত মানুষগুলো ও সমাজের সচেতন মহল।
সরমজান খাতুনের ব্যাপারে বাওট গ্রামের ইউ পি সদস্য সিরাজুল ইসলাম কালুর সাথে কথা বললে তিনি জানান, বরাদ্ধ এসেছিল কয়েকজনকে দিয়েছি। আবার বরাদ্ধ আসলে দিব।
|