|
বেনাপোলে তীব্র তাপদাহে ও লাগামহীন লোডশেডিং এ প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে৷ লাগাতার বিদু্যত্ বিভ্রাটে বন্দরে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে অচলাবস্থা নেমে এসেছে৷ জ্যৈষ্ঠের খরতাপে সর্বত্র হাহাকার চলছে৷ গত কয়েকদিন ধরে রাতে দিনে ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা লোডশেডিং চলছে৷ প্রচন্ড গরমে মানুষ ক্লানত্ম হয়ে পড়েছে৷ বেনাপোল, যশোরসহ আশেপাশের এলাকায় গড় তাপমাত্রা চলছে ৩৭ থেকে ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস৷ প্রচন্ড তাপদহের মধ্যে বিদু্যত্ বিভ্রাট জন মানুষের নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে৷ বেনাপোলসহ খুলনা অঞ্চলে বিদু্যতের গড় চাহিদা ৮৬১ মেগাওয়াট৷ কিন্তুু পাওয়া যাচ্ছে ৬২৭ মেগাওয়াট৷ এ অঞ্চলে দেড়শ' মেগাওয়াট বিদু্যতের ঘাটতি রয়েছে৷ দিন দিন বিদু্যতের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং৷ এ ছাড়া পিক অফ পিক আওয়ারে লাগামহীন ভাবে চলছে দফায় দফায় বিদু্যতের লোডশেডিং৷ বিদু্যত্ বিভ্রাটসহ ভ্যাপসা গরমে মানুষের মধ্যে বাড়ছে সর্দি জ্বর, আমাশা, ডায়রিয়া, জন্ডিসসহ পানি বাহিত রোগ৷ দেশের সর্ববৃহত্ স্থলবন্দর বেনাপোলে দিনে রাতে ৪ ঘন্টাও বিদু্যত্ পাওয়া দুরহ হয়ে পড়েছে৷ সকাল থেকে গভীর রাত পর্যনত্ম ঘন্টার পর ঘন্টা বিদু্যত্ না থাকায় বন্দর, কাস্টমস ও তাদের সাথে সংশ্লিষ্টদের কাজকর্মে অচলাবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে৷ এ ছাড়া ছোট বড় ক্ষুদ্র শিল্প কলকারখানা পড়ছে ঞুমকির মুখে৷ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সেচ পাম্প মালিকরা৷ চাষী শিক্ষাথর্ীরা পড়ছে চরম বেকায়দায়৷ এ ব্যাপারে শার্শা পল্লী বিদু্যত্ সমিতির ডিজিএম জানান, উপজেলার প্রায় ৪৪ হাজার গ্রাহকের বিদু্যত্ চাহিদা ২৩ মেগাওয়াট, সেক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী বিদু্যত্ পাওয়া যাচ্ছে না৷ এ কারণে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না৷ বেনাপোলে ৭/৮ মেগাওয়াট বিদু্যতের বিশেষ বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ফাইল প্রক্রিয়াধীন রয়েছে৷
|