জামাল হোসেন, বেনাপোল থেকে৷৷ নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বেনাপোল দেশের সর্ববৃহত্ স্থলবন্দর৷ এই বন্দরের প্রতি সরকারের সুনজর সবসময় আছে৷ এখানে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে গতিশীলতা বাড়াতে একের পর এক উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে সরকার৷ বাংলাদেশের ১৩টি স্থলবন্দরের মধ্যে ৫টি বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন করে ইতিমধ্যে পূনর্াঙ্গ বন্দরে রুপান্তরিত করা হয়েছে৷ যে সকল স্থলবন্দরগুলো পাক সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এখন সে গুলো চালু করার প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে৷ বন্দরের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সবগুলো বন্দরে উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হচ্ছে৷ মন্ত্রী আরো বলেন, চট্রগ্রাম বন্দরেও শ্রমিক অসনত্মোষ ও আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের েেত্র বিভিন্ন জটিলতা ছিল৷ সেখানে উপদেষ্টা কমিটি গঠনের ফলে গত ৩ বছর কোন ঝামেলা নেই৷
শনিবার বিকাল ৪ টায় বেনাপোল স্থলবন্দর অডিটোরিয়াম ভবনে বন্দরের উপদেষ্টা কমিটির সাথে এক মত বিনিময় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন৷ এসময় মন্ত্রী বেনাপোল বন্দরে নব গঠিত উপদেষ্টা কমিটির নাম প্রকাশ করেন৷ এই কমিটিতে রয়েছেন, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কতর্ৃপরে চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, নৌ-মন্ত্রনালয়ের সচিব, মহাপরিচালক বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কমিশনার কাস্টমস এঙ্াইজ ও ভ্যাট, যশোর জেলা প্রশাসক, বাংলাদেশ ট্রাক মালিক ইউনিয়ন, সভাপতি যশোর চেম্বার কমার্স, সভাপতি যশোর প্রেসকাব, সভাপতি বেনাপোল সিএন্ডএফ এসোসিয়েশন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ওসি বেনাপোল পোর্ট থানা, সভাপতি শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন ব্যাবসায়িক সংগঠনের প্রধান৷ বৈঠকে বন্দর উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা এই বন্দর দিয়ে বাণিজ্য সমপ্রসারনের েেত্র চলমান বিভিন্ন সমস্যা উল্লেখ করেন৷
এর আগে মন্ত্রী বেনাপোল স্থলবন্দরের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও বন্দরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কপোতা নদের দখল হয়ে যাওয়া শাখা পরিদর্শন করেন৷ এরপর বেনাপোল চেকপোষ্টে ৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন আনত্মর্জাতিক পাসপোর্টযাত্রী বিশ্রামাগার ও আনত্মর্জাতিক বাস টর্াির্মনাল ও রফতানি টার্মিনালের নির্মান কাজের খোজ খবর নেন এবং কত দিনে এ কাজ শেষ হবে তা জানতে চান৷ এ সময় মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল মান্নান হাওলাদার, বেনাপোল কাষ্টম কমিশনার মাসুদ সাদিক, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বন্দরের কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসন, যশোর ও বেনাপোলের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ৷
|