<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><?xml-stylesheet type="text/css" media="screen" href="http://write3.com/css/mynul_rss.css"?><rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
<channel>
<title>write3.com - New Media</title>
<link> http://www.write3.com/Rss.php</link>
<description>RSS feed and News Updates from write.</description>
<language>bn-bengali</language>
<copyright>Copyright 2009, write3</copyright>
<pubDate>Wed, 10 Jul 2002 08:00:00 GMT</pubDate>
<lastBuildDate>Sun, 18 Dec 2011 14:13:04 GMT</lastBuildDate>
<ttl>10</ttl>
<image>
	<url>http://www.write3.com/images/logo-rss.gif</url>
	<title>Write3.com - New Media</title>
	<link>http://www.write3.com/Rss.php</link>
	<width>115</width>
	<height>70</height>
</image>

<item>
	<title>Love of a Women</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2345</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2345</guid>
	<pubDate>Wed, 22 Feb 2012 17:54:14 +0600</pubDate>
	<description>amio - নারী, ভালোবাসার সবচেয়ে বড় উদাহরণ, কিন্তু একজন নারীর ভালোবাসা শুধু পুরম্নষদের জন্যই নয়৷ একজন নারীর ভালোবাসা তার সনত্মানের জন্য, একজন নারীর ভালোবাসা তার পরিবারের জন্য, একজন নারীর ভালোবাসা তার কাজের জন্য, তার প্রতিবেশির জন্য, তার সমাজের জন্য, সমাজকে অমঙ্গল, নোংড়া, অবহেলিত জায়গা থেকে বের করে নিয়ে আসার জন্য৷ একজন নারীর ভালোবাসা আপনার, আমার সকলের স্বপ্ন পূরণের জন্য৷ একজন নারীর ভালোবাসা তার মাতৃভূমির জন্য৷</description>
</item>

<item>
	<title>Katiadi, Kishoregonj news</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2344</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2344</guid>
	<pubDate>Wed, 22 Feb 2012 16:35:34 +0600</pubDate>
	<description>Md. Rafiqul Haider - বনভোজন’১২

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লিটল ফাওয়ার স্কুলের বনভোজন’১২ আনন্দ বিনোদনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। 
বুধবার লিটল ফাওয়ার স্কুলের ছাত্র ছাত্রী, শিক কর্মচারী, অভিভাবকদের নিয়ে বার্ষিক বনভোজন কটিয়াদী সরকারী হ্যাচারীতে অনুষ্ঠিত হয়। বনভোজনকে আনন্দময় করে তুলতে সংগীত, কবিতা, কৌতুক পরিবেশ করা হয়। সংগীত পরিবেশ করেন অত্র স্কুলের সঙ্গীত শিক দীপক সাহা। কবিতা আবৃতি করেন স্কুলের ুদে শিার্থীরা ও কৌতুক পরিবেশন করেন ডেইজী ও কলি । স্কুলের পরিচালক মন্ডলীর সদস্য মোঃ হাসান জানান ছাত্র ছাত্রীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বিনোদন প্রয়োজন। তাই লেখাপড়াকে উৎসাহিত করতে বিনোদন হিসাবে এই বনভোজনের আয়োজন</description>
</item>

<item>
	<title>একটি বিশেষ দৃষ্টান্ত মূলক ঘটনা</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2343</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2343</guid>
	<pubDate>Wed, 22 Feb 2012 16:32:39 +0600</pubDate>
	<description>selina akhtar (azadi) - অত্র এলাকারই পরিচিত একটি মেয়ে সুমায়া। প্রিমিয়ার ভার্সিটি বিবি এর ৫ম বর্ষের ছাত্রি সে। পরিবারের সব সদস্য দেখে মনে হবে না যে এদের মানসিকতা কেমন।কিন্তু কেউ কি কখনো শুনেছেন যে,কোন বাবা তার মেয়ে কে ধনী ছেলেদের পিছে লেলিয়ে দেয় ?অথচ সুমায়ার বাবা এমনি একজন মানুষ।সাইদুল নামের একটি ধনী লোকের ছেলের সাথে তার পরিচিতি ২ বছরের। মেয়ে তার সুবিধা মতো প্রতিটি চাওয়া পাওয়া  পুরন করে নিতো সাইদুলের  কাছ থেকে,যখন যা প্রয়োজন তা আদায় করতো বায়না করেই।এমনকি নিজের শারীরিক চাহিদা পুরন করতো সাইদুলের কাছ থেকে এক প্রকার জোর করে ব্যাবহার করতো সাইদুল কে (যখন বাসায় কেউ না থাকতো) সাইদুল কখনো সুমায়া কে জিজ্ঞেস করলে আমরা বিয়ের আগে কেন এসব করছি ?মেয়েটি বলতো ওমা তুমি আমার জামাই না বিয়ে তো তোমাকেই করবো আমি।সুমায়া যা যা আদায় করতো তাহলো নগদ টাকা দামি ঘড়ি মোবাইল ফোন আরও অনেক কিছু। উল্লেখ্য যে সাইদুল মেয়েটি কে অনেক ভালোবাসতো তার কথা না শুনে পারতো না।কিন্তু এসব ঘটনার অবসান গতো মাস খানিক আগে।সাইদুল মেয়েটির মোবাইল এ অন্য ছেলের নাম্বার পায় এতে তাকে জিজ্ঞেস করলে তার বাপ মা কে বললে তাকে কাজের মেয়ের সামনে অপমান করে ঘর থেকে বের করে দেয়।এর পর মেয়েটি পরিবার সাইদুলের ফোন ধরতে চাইনা ফোন করলে তারা সাইদুল কে ভয় দেখায় মেয়েটির বাবা সাইদুল কে বিশ্রী ভাষায় গালাগালি করতো।এর পর তার পরিবার বিভিন্ন মানুষ দিয়ে সাইদুল কে হুমকি দেয় সাইদুল রেগে এসএমএস করলে তারা আবার সাইদুল এর বাপ কে বিচার দেয়।আবার ও মেয়েটি ইসলামিয়া ভার্সিটির ছেলে দিয়ে হুমকি দেয় যে তোকে মেরে তোর বাপ কে ধরাই দিবো। এমন অবস্থায় সাইদুল ও রেগে তাদের গালাগালি করে সুমায়ার কাহিনী তার বাপ মা কে বললে তারা কোন গুরুত্ব দেয়নি তারা উলটা সাইদুলের ওপর গরম দেখায়। সাইদুল মেয়েকে এসএমএস করলে যে তুমি যা করেছো ঠিক করনি ,আমাকে বিয়ে করতে হবে,তবুও সে কোন কথা গুরুত্ব না দিয়ে মেয়ে আর মেয়ের পরিবার সাইদুল কে পাগল বলে দাবি করে যাতে করে ওরা এসব ঘটনা থেকে সরে যেতে পারে। কিছুদিন আগে সাইদুল মেয়ের বাপ কে কল দিলে মেয়ের বাপ বলে তুমি খারাপ এর পর তোর মারেচুদি কুত্তার বাচ্চা বলে তোর বাপ কিছুই করতে পারবে না বলে ফোন রেখে দেয়  আরও বলে আমি জেনে শুনে পাগল কে আমার মেয়ে কেন দিবো হতে পারে তোমরা বড়োলোক। শারীরিক সম্পর্কের কথা যেনে ও মেয়ের পরিবার এমন করছে। সাইদুল তাদের কে এক প্রকার প্রমান দেয় যে মেয়ে বাসায় একা থাকলে তাকে ডেকে নিতো  কাজের মেয়ে কে অন্য রোম বন্ধ করে ওই কাজ করতো।সাইদুল কে জোর করতো যে তুমি না আসলে আমি সম্পর্ক রাখবোনা।এখন মেয়েটি সাইদুল এর নাম ও শুনতে চায়না। প্রতারকদের  ঠিকানা দেওয়া হল :
মেয়ের নাম :ফাতিমা করিম সুমায়া        ফোন নাম্বার: ০১৬৭২৯৮৯০০৯/০১৬৭৫৯৭৫৮১৬
বাপের নাম :ফয়েয করিম 
মার নাম :তাস্মিন শায়েদা
বাসা :পাথর ঘাঁটা নজু মিয়া লেইন মোড মসজিদ এর পাশে (চট্রগ্রাম)
তাই আপানদের সবার কাছে  অনুরোধ এই সব মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকবেন যাতে তাদের পাল্লায় পরে নিজের জীবনটা যেন শেষ না হয় তারা মিষ্টি ভাষায় কথা বলে মানুষ এর মন জয় করে নিতে পারে এক প্রকার বহুরূপী পরিবার বটে । তাদের ভদ্রতার আড়ালে লুকিয়ে আছে কুকর্ম। (বিশেষ দ্রষ্টব্য :কোন মেয়ের মান হানির করার আমাদের ইচ্ছা নেই,যা সত্যি তাই জানালাম।)</description>
</item>

<item>
	<title>Our Counrty Child</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2342</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2342</guid>
	<pubDate>Wed, 22 Feb 2012 14:46:24 +0600</pubDate>
	<description>omer  faruk ronju - স্বাধীন দেশের এ কি অবস্থা তা আজ বলার অপেক্ষা রাখেনা এই ছবিটিতে৷ এবাবেই বাংলাদেশের শিশুরা দিনকে দিন মাদকা শক্তিতে আসস্ত হয়ে পড়ছে৷ এভাবে যদি দিনকে দিন চলতে দেওয়া যায় তাহলে বাংলাদেশ একদিন বাংলাদেশ ন থেকে নেশার দেশে পরিণত হবে৷ এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকার এবং বেসরকারী সংস্থাদের এগিয়ে এসে মানব সেবায় উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে৷ ছবিটি গতকাল বকশীগঞ্জ টিএনটি রোড় থেকে তুলেছেন আমার বন্ধু পপি৷<br>&nbsp;<br></description>
</item>

<item>
	<title>কারও করুনা বা দয়া নয় নিজের সৃজনশীলতা আর কর্মের মধ্যে বেঁচে থাকতে চাই এসিড দগ্ধ শামীমা</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2341</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2341</guid>
	<pubDate>Wed, 22 Feb 2012 12:26:34 +0600</pubDate>
	<description>shahajhan Ali Bipas - শাহজাহান আলী বিপাশ, ॥
কারও করুনা বা দয়া নয় নিজের সৃজনশীলতা আর কর্মের মধ্যে বেঁচে থাকতে চাই এসিড দগ্ধ শামীমা । এসিড সন্ত্রাসের শিকার শামীমা নিজের যোগ্যতায় মাথা উঁচু করে দাড়াতে চাই। শামীমা দেখিয়ে দিতে চাই আত্মপ্রত্যয়ী মানুষ জীবন সংগ্রামে কখনো পরাজিত হয় না। শামীমা আক্তারের বয়স ২৪ বছর। ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার ভবানিপুর গ্রামেরে মোঃ রওশন আলীর মেয়ে শামীমা। শামীমার বিয়ে হয় মাত্র ১২ বছর বয়সে ৩৫ বছরের এক চাকুরীজীবি ছেলের সাথে। তখন সে সবে মাত্র ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী।  চাকুরীজীবি ছেলে পেয়ে অনেকটা তড়িঘড়ি করেই শামীমাকে বিয়ে দেয় তার পরিবার। বিয়ের রাতেই পরিচয় হয় স্বামী নামের এক পশুর সাথে। স্বামীর উগ্র যৌন অত্যাচারে ভীত আতংকিত শামীমা তিন দিন পর চলে আসে বাবার বাড়ি। শশুর বাড়ির লোকেরা সে সময় তার মানুষিক অবস'া বুঝতে পারেনি। উল্টো তাকে বিভিন্ন অপবাদ দিতে থাকে। পরিবারের লোকজনকে ঘটনাটি খুলে বললে শামীমাকে শশুর বাড়ি না পাঠিয়ে স্কুলে ভর্তি করার সিদ্ধান- নেয়। এঘটনায় চরম অপমানিত হয় তার নরপশু স্বামী। ১৯৯৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বও রাত আনুমানিক ২ টার সময় জানালার পাশে ঘুমিয়ে থাকা অবস'ায় শামীমাকে এসিড নিক্ষেপ করে। এসিডে তার মুখমন্ডল, চোখ, কান, নাক, ঠোট ও হাত ঝলসে যায়। শামীমা এসিডের সাথে দীর্ঘ দুই বছর সংগ্রাম করে ধীরে ধীরে  সুস'্য হয়ে উঠে। তারপর শুরু করে বেচে থাকার সংগ্রাম। নিজে শেলাই কাজ শুরু করেন। স'ানীয় শারীরিক প্রতিবন্ধি, দরিদ্র ও অধিকার বঞ্চিত ৪৩ জন নারী নিয়ে গড়ে তোলেন ঐক্য নারী কল্যাণ সংস'া । শুরু হয় তার অপতিরোধ্য সংগ্রামী জীবন। শামীমার নিজ হাতে গড়া সংস'ার মাধ্যমে প্রতিদিন ব্লক, বাটিক, নকশী কাথা, দর্জি কাজ শেলাই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ সংগঠন চালানো পাশাপাশি শামীমা তার নিজের লেখা পড়ার কাজ করে যাচ্ছেন। শামীমা গত ১১ বছর হলো মুখ ঢেকে সংস'ার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। পরবর্তীতে এসিড সারভাইভার ফাউন্ডেশনের সহায়তায় শামীমার তিনটি অপারেশন হয়। বর্তমানে শামীমা এসিড সারভাইভার ফাউন্ডেশনের সাথে অংশীদারিত্বে কাজ করছে। 
জীবন সংগ্রামে শামীমা এখানেই থেমে না থেকে অর্ণিবান  সমাজ কল্যাণ সংস'া নামের আরো একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। কাজের মধ্যে শামীমা জীবনে আলোর সন্ধান পেয়েছে। সে আলোই শামীমা পথ দেখিয়ে চলেছেন আরো কিছু অধিকার বঞ্চিত নির্যাতিত মানুষকে। শামীমা  এখানেই থেমে যেতে চান না। তার ইচ্ছা নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধীকার প্রতিষ্ঠা, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ে কাজ করা। এসিপ দগ্ধ শামীমা প্রমান করতে চান সহিংসতা জীবনকে দমিয়ে রাখতে পারে না। হয়ে উঠতে চান নির্যাতিন নিপিড়িত নারীদের প্রেরণার উৎস। নারী উন্নয়ন, প্রতিবন্ধি ও এসিড দগ্ধদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুনর্বাসন এবং সমাজ ও পরিবারে অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই এখন তার জীবনের বড় লক্ষ। এছাড়া পরিবেশ উন্নয়ন, সামাজিক বনায়নে কাজ কওে যাচ্ছ শামীমা। তার নিজ উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর আওতায় চলতি বৃক্ষ রোপন মৌসুমে ২০ হাজার গাছের চারা রোপন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। 
প্রানি-ক মানুষের অধিকার আদায়ে অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ শামীমাকে এবছরই এ্যাকশান এইড অর্গানাইজেশন থেকে নাসরিন হক স্মৃতি পদক-২০০৭ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। একই সময়ে এসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশনের এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড যৌথভাবে পাফরমেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০০৭ প্রদান করে।</description>
</item>

<item>
	<title>21 february</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2339</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2339</guid>
	<pubDate>Wed, 22 Feb 2012 11:17:45 +0600</pubDate>
	<description>amio - 21 February 2012</description>
</item>

<item>
	<title>Fule</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2338</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2338</guid>
	<pubDate>Wed, 22 Feb 2012 03:03:47 +0600</pubDate>
	<description>Tasnuva Quader - Look at this women vividly…if I tell you that this women has lost her daughter a just a month ago….!! Her name is “Fulbanu”, everyone calls her as “Fule”. Her daughter’s husband killed her first than put some  poison in her mouth so that every one believed that she had committed suicide. This is the true story of Gazipur near “kaurait”. The ugly truth is that..the murderer still roams around the village and the girls family could not  even informed the police because they are too afraid of  the killers family and has been threatened badly…although this story is not new…..but still it is happening all over the country for ages and guess will continue for don’t know how long………</description>
</item>

<item>
	<title>Comunity Volunteer Training Program</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2337</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2337</guid>
	<pubDate>Wed, 22 Feb 2012 01:11:12 +0600</pubDate>
	<description>Anisuzzaman Khan - Bangladesh Government decided to make 60000 community Volunteer to prevent maximum loses from Earthquark. Training program will be continue until reach the goal. This picture taken from Khilgaon Fire Station, Dhaka. Community Volunteer Training program Sponcered and Supported by Fire Service &amp; Civil Defence of Bangladesh, Norgian Embassy, UK Aid, Australian Aid, SIDA AND UNDP.</description>
</item>

<item>
	<title>দেশের আর্থ-সামাজীক উন্নয়নে নারী শিক্ষার কোন বিকল্প নেই !</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2336</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2336</guid>
	<pubDate>Tue, 21 Feb 2012 18:15:55 +0600</pubDate>
	<description>Rakib Hasan - বাংলাদেশের জনসংখ্যার এক বিশাল অংশ নারী। নারী উন্নয়ন তাই জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত ।
 নারী যুগ যুগ ধরে শোষিত ও অবহেলিত হয়ে আসছে। পুরুষশাসিত সমাজ ব্যবস্থায় ধর্মীয় গোঁড়ামী, সামাজিক কুসংস্কার, কুপমন্ডুকতা, নিপীড়ন ও বৈষম্যের বেড়াজালে তাকে সর্বদা রাখা হয়েছে অবদমিত। গৃহস্থালী কাজে ব্যয়িত নারীর মেধা ও শ্রমকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। নারী আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া নারী জাগরণের আহবান জানিয়ে বলেছিলেন “তোমাদের কন্যাগুলিকে শিক্ষা দিয়া ছাড়িয়া দাও, নিজেরাই নিজেদের অন্নের সংস্থান করুক”। তার এ আহবানে নারীর অধিকার অর্জনের পন্থা সম্পর্কে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা রয়েছে। 

তাই আসুন আমরা সবাই নারী শিক্ষার ব্যাপারে আরও সচেতন হয় এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নারীদেরকে পুরুষের পাশাপাশি গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখার সুযোগ করে দেয় !!</description>
</item>

<item>
	<title>Katiadi, Kishoregonj news</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2335</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2335</guid>
	<pubDate>Tue, 21 Feb 2012 18:13:56 +0600</pubDate>
	<description>Md. Rafiqul Haider - অর্ধনমিত জাতীয় পতাকা


৫২-এর ভাষা আন্দোলন। মাতৃভাষা বাংলার দাবীতে রাজপথে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষায় প্রতিষ্ঠিত করলো যারা তাদের স্মরণে প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারী শহীদ দিবস বর্তমানে   আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি  লাভ করে। ভাষা শহীদদের সম্মানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার আইন থাকা সত্ত্বেও এই দিনে পতাকা, বাঁশ বা খুটির চূড়ায় উত্তোলিত হতে দেখা যায়। তাছাড়া জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখতে- পতাকা বাঁশ বা খুটির মাঝ বরাবর বেধে রাখা হয়েছে। অর্ধনমিত এর প্রকৃত ধারনা না থাকায় সর্বত্রই এধরণের ভুল ভ্রান্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে। আবার পতাকার রং, আকার সম্পর্কে আমাদের পরিস্কার ধারনা নেই। ফলে ইচ্ছেমত রঙের কাপড়দিয়ে পতাকা তৈরী ও উত্তোলন করা হয়। এমন দৃশ্য মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে কটিয়াদী সদরের অনেক প্রতিষ্ঠানেই পরিলক্ষিত হয়েছে। কিন্তু সংশোধনের কোন উদ্যোগ বা প্রশাসনের নজরদারী না থাকায় এ ধরণের ভুল ভ্রান্তিতেই পালিত হচ্ছে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।</description>
</item>

<item>
	<title>21 Februery</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2334</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2334</guid>
	<pubDate>Tue, 21 Feb 2012 14:59:51 +0600</pubDate>
	<description>omer  faruk ronju - ব্যাপক উত্‍সাহ আর উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলায় পালিত হয়েছে মহান ভাষা একুশে ফেব্রুয়ারী৷ এ উপলক্ষে রাত ১২.১মিটিনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অপর্নের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়৷ প্রধমে শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন উপজেলা প্রসাষন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ড ও প্রক্রিয়াগত ভাবে আওয়ামীলীগ সহ এর অংঙ্গ সংগঠন এবং উপজেলা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গুলো শহীদের প্রতি শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন৷ রাত শেষে ভোরে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন্ শ্রণীর লোক জন এনজিও থেকেও পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়৷ মহান আন্তজার্তিক মাতুভাষা দিবস উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যপক উত্‍সাহ নিয়ে দিনটি যথাযথ ভাবে পালন করা হয়৷ <br></description>
</item>

<item>
	<title>বাংলার সংস্কৃতিতে নারীরা...</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2333</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2333</guid>
	<pubDate>Tue, 21 Feb 2012 12:05:35 +0600</pubDate>
	<description>Shuvashish Ranjan Sarker - বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের অংশগ্রহন চোখে পরে সবখানেই। নাচ, গান, কবিতাসহ বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে বাড়ির দেয়াল ভেঙ্গে নারীরা এগিয়ে এসেছে অনেক ক্ষেত্রেই। সংস্কৃতিকে তুলে ধরার পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা আর সৃজনশীলতার পরিচয় দিচ্ছেন তারা। ছবিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলায় নবান্ন উৎসব-১৪১৮কে বরন করে নেয়ার এক মুহুর্ত। এভাবেই নাচের মাধ্যমে নিজেদের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিকে তুলে ধরার পাশাপাশি নবান্ন-১৪১৮কে বরণ করে নেন দুই নারী নৃত্যশিল্পী। দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এরকম চিত্র দেখে সহজেই বোঝা যায় নৃত্যাঙ্গনসহ আরো অনেক অঙ্গনেই নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহন। রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সক্রিয় অংশগ্রহন করে একটি সৃজনশীল বাংলাদেশ তৈরিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করেন এসব প্রগতিশীল নারীরা।</description>
</item>

<item>
	<title>মোবাইলে কোন Sofware ছাড়াই folder lock করুন।</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2332</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2332</guid>
	<pubDate>Tue, 21 Feb 2012 11:25:45 +0600</pubDate>
	<description>Gowtam kumar - আজ আমি আপনাদেরকে এমন একটি পদ্ধতির কথা বলব যার ফলে আপনারা আপনাদের মোবাইলে কোন রকম SOFTWARE Use না করেই Memory card এর Folder গুলো  Lock করতে পারবেন। বিষয়টা হয়ত অনেকেই জানেন | এটা  NOKIA সহ অনেক Brand এর মোবাইল সেটে হয়। এটা করতে হলে প্রথমে আপনি য়ে Folder টা  lock করতে চান তার Rename করতে হবে । Rename এ গিয়ে লিখুন Music.jar তারপর আরেকটি Folder তৈরী করুন য়ার নাম দিবেন Music.jad তারপর দেখুন অবাক বিষয় আপনার Music.jar Folder টি Lock হয়ে গেছে ! lock টি খুলতে হলে আপনাকে Music.jad folder টি যে কোন নামে  Rename করতে হবে</description>
</item>

<item>
	<title>বুকের রক্তে কেনা একুশ</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2331</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2331</guid>
	<pubDate>Tue, 21 Feb 2012 03:21:37 +0600</pubDate>
	<description>SUMIT BANIK - সুমিত বণিক :ভূমিষ্ঠ হয়েই কেঁদে উঠি আমরা। মা তখন কত আপন মমতায় তার নাড়ী ছেড়া ধন কে যতœ করেন, আর এ মমতার তৃপ্তি কতটুকু, তা মা বিনে আর কেউ জানে না। দিন যায়, আমাদের বয়স বাড়তে থাকে। আমাদের জীবনের অনুভূতির প্রকাশ কান্নার পরপরই আসে শব্দ উচ্চারণ করার মধ্য দিয়ে অনুভূতি প্রকাশের ইচ্ছা। আশা করি আমাদের জীবনে ভাষার প্রয়োগের ক্ষেত্রে ‘মা’ ডাকটি আমরা অনেকেই প্রথম উচ্চারণ করি। সর্বোপরি মা কে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয় আমাদের ভাষা চর্চা। কিন্তু বড় হয়ে যখন জানলাম আমার আজকের এই ‘মা’ ডাকটি ডাকার অধিকারটুকুও কেড়ে নিতে চেয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর শুরু হয় উর্দু কে রাষ্ট্রভাষা করার অপচেষ্টা। তৎকালীন পাকিস্তানের গভর্নর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা করেন। সাথে সাথেই মায়ের ভাষার অধিকার আদায়ের উন্মদনায় উন্মত্ত হয়ে গিয়েছিল বাঙালী জাতি। নিপীড়ন আর পরাধীনতা যখন ক্রমে ক্রমে চেপে বসেছিল ঘাড়ে, ঠিক তখনই বাঙালী জাতির দামাল ছেলেরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। দানা বাঁধতে শুরু করে আন্দোলন। মিছিল-মিটিং এ শাসকগোষ্ঠীর পতনের আর বিদ্রোহের সুর বেজে উঠে। আন্দোলনকে বাধাগ্রস্থ করতে নিরুপায় হয়ে ঘোষণা করা হয় ১৪৪ ধারা। কিন্তু তৎকালীন ছাত্র জনতা বাংলা ভাষাকে উপেক্ষা আর অপমানের গ্লানিটুকু সইতে পারেনি। পারেনি নিজের ভাষা কে পর করে, উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিতে। মায়ের ভাষাকে স্বীকৃতি দেবার হীন ষড়যন্ত্র কে নস্যাৎ করতে, ছাত্র-জনতার ক্ষোভ আর নিরব যন্ত্রণা সেদিন ১৪৪ ধারাকে হার মানিয়ে ছিল। কিন্তু সেই মিছিলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বুলেটের আঘাতে সেদিন শহীদ হয় সালাম, বরকত, শফিক, রফিকসহ নাম না জানা কত মানুষ। বহু তাঁজা প্রাণ আর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় প্রাণের ভাষা বাংলা। আলতাফ মাহমুদ ও আব্দুল লতিফ এর সুরে গাওয়া- 
“দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারো দানে পাওয়া নয়/ দাম দিছি প্রাণ লক্ষ কোটি/ জানা আছে জগৎময়॥, বাহান্নতে মুখের ভাষা কিনছি বুকের খুনে রে/ বরকতেরা রক্ত দিছে বিশ্ব অবাক শুনে রে।”। গানেটিও যেন ফুটে উঠেছে ঐ সময়েরই প্রতিচ্ছবি। 
আজ আমরা গর্বিত, একুশ আজ আমাদের জাতীয় জীবনে প্রেরণার ঊৎস। কিন্তু আমাদের সবাইকে ভাষার মর্যাদা রক্ষায় আরো বেশি আন্তরিক হওয়া প্রযোজন, আমাদের নিজেদের কথিত ব্যক্তিত্ব কে প্রস্ফুটিত করার জন্য যেন আমাদের শহীদ ভাইদের রক্তের অবমূল্যায়ন না হয়। কারণ তাদের আত্মত্যাগের ফলেই আমরা স্বাধীনদেশে আমার মায়ের ভাষায় কথা বলছি। আমার প্রাণের প্রিয় মাকে বুক ভরে ডাকতে পারছি। পেয়েছি আন্তর্জাতিক দিবসের মর্যাদা। কবি নির্মলেন্দু গুণ এর কবিতার ভাষায়-
“মা তুমি তো জানো/ মুখের ভাষাকে ওরা কেড়ে নিতে চেয়ে ছিল/ অথবা অনেক রক্ত- তাই/ রক্তযজ্ঞে লাল হলো কংক্রীটের পথ/ অনেক রক্ত-অনেক প্রাণী...অনেক বন্দী/ তারপর বাংলা পেলো রাষ্ট্রের মর্যাদা”।</description>
</item>

<item>
	<title>একুশে পদক প্রদান-২০১২ অনুষ্ঠানে  একুশে পদক প্রাপ্তদের মাঝে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2330</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2330</guid>
	<pubDate>Tue, 21 Feb 2012 03:16:31 +0600</pubDate>
	<description>SUMIT BANIK - সোমবার  ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক প্রদান-২০১২ অনুষ্ঠানে  একুশে পদক প্রাপ্তদের মাঝে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।</description>
</item>

<item>
	<title>Our Tradition of Village</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2326</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2326</guid>
	<pubDate>Mon, 20 Feb 2012 20:10:14 +0600</pubDate>
	<description>omer  faruk ronju - This is our ancient tradition of our village.Now a days we are being modernized.We are loosing our ancient culture.This type of vehicle is today replaced by human holler.Due to development of technology we are being digitalized. we use different type of vehicle driven by engine.As a result we are being fast but we loose our culture.It is hard to find out this traditional vehicle in our country.It is a threat to our culture.</description>
</item>

<item>
	<title>Life Story of Banesa</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2325</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2325</guid>
	<pubDate>Mon, 20 Feb 2012 19:42:58 +0600</pubDate>
	<description>omer  faruk ronju - There is Village Name Sajimara at Nilokhia Up in Bakshigonj Upazila Under Jamalpur District. There are a river Name Dasani Through in this Village. There are poor households are live on the dasani river bank. All most time the villagers fill in danger of over flood and face with river erosion. Some of the Villagers lost there house land and many other things are damaged effect by this river. There fore most of the family were living together with long time in the dangerous way. Banesa lived in this Village with her 4 Child in helps less condition. She has lost her husband some years ago. Banesa’s dream was destroyed without her husband at the time of good days over.  She has only 3 decimal house land and no other land property for available cultivate. That’s why she lived very difficult way in her daily live. She also works in the filed and other person’s house. She also no other way without to live in the open air. She could not to learn of her child in School level. She only expected depend on her elder son but it was at last lost her dream .Because her elder child was separated after marriage. So for the say cause her life lets searching for work  on house to another house. She always connected with union parisod &amp; NGO’s officials to get a good work to get her life. At last her dream filled one day. She got change to work of ER programme. She build a teen shed house by hard working after ER programme. She also bought a wooden bed &amp; two chair. She also said that she will not suffer more before like passing days during disaster period. She also concisions  after to take FFT training . As a result she manage a latrine for use her self. She also bought a cow and two hen about tk.4000/-. She think that he may self dependent on her own activities &amp; get sufficient nutrition .Banesa created over income source with product vegetables of her yard. Now she is very happy. She  wants more work which change her life is key to success by ER work plane.</description>
</item>

<item>
	<title>যৌন উত্তেজক ওষুধ , নকল লেবেল সহ ২ জন আটক</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2324</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2324</guid>
	<pubDate>Mon, 20 Feb 2012 17:15:02 +0600</pubDate>
	<description>shahajhan Ali Bipas - শাহজাহান আলী বিপাশ, ঝিনাইদহ, ২০ফেব্রুয়ারী১২ ঃ
ঝিনাইদহে দু’টি পৃথক ঘটনায় যৌন উত্তেজক ওষুধ , ওষুধের নকল লেবেল, কৌটা ও বিভিন্ন মালামাল সহ ২ জন আটক এবং ১ টি এলজি সহ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব । ঝিনাইদহ শহর ও শৈলকুপা থেকে এসব মালামাল ও অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হল ঝিনাইদহ শহরের কাঞ্চন নগরের মুরাদ আলী মাস্টারের ছেলে শামীম বুলবুল সউদ ( ৩৪) ও শহরের ব্যাপারী পাড়ার হারুন অর রশীদের ছেলে মো: জনি (২৬)।

ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার  হামিদুল হক সোমবার দুপুর ৩টায় প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে জানান, গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব ঝিনাইদহ শহরের সুলতান মার্কেটে অভিযান চালায়। অভিযান কালে মার্কেটের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, সেপ্র, জেল, ওষুধের নকল কৌটা , লেবেল এবং কম্পিউটার ও প্রিন্টার উদ্ধার করে। এ ময় তারা দু’জনকে আটক করে। আটককৃতরা নকল যৌন উত্তেজক ওষুধ প্যাকেটজাত করে বাজারে বিক্রি করছিল বলে র‌্যাব জানায়।   

অপর দিকে সোমবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে র‌্যাব জেলার শৈলকুপা উপজেলার গোলকনগর গ্রামের মাঠ থেকে পরিত্যাক্ত অবস'ায় ১ টি এলজি, ৩ টি চাপাতি, ১ টি রামদা ও ১ টি ছোরা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তারা কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

ঝিনাইদহ সদর ও শৈলকুপা থানায় এ ঘটনায় পৃথক দু’টি মামলার প্রস'তি চলছে।</description>
</item>

<item>
	<title>কালীগঞ্জের নালীরা এখন নিজেই জমিতে আগাছা দমন করছে।</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2323</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2323</guid>
	<pubDate>Mon, 20 Feb 2012 15:22:47 +0600</pubDate>
	<description>shahajhan Ali Bipas - কালীগঞ্জের নালীরা এখন নিজেই জমিতে আগাছা দমন করছে।</description>
</item>

<item>
	<title>কালীগঞ্জের কৃষানী নিজের তৈরিকরা কম্পোষ্ট সার নিজের জমিতে ছিটাচ্ছে।</title>
	<link>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2322</link>
	<guid>https://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2322</guid>
	<pubDate>Mon, 20 Feb 2012 15:02:52 +0600</pubDate>
	<description>shahajhan Ali Bipas - কালীগঞ্জের কৃষানী নিজের তৈরিকরা কম্পোষ্ট সার নিজের জমিতে ছিটাচ্ছে।</description>
</item>

</channel>
</rss>

